গনমাধ্যমে সংবাদ প্রচার- নলডাঙ্গায় অসহায় সেলিনার পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ ১২৮ বার পড়া হয়েছে
ইফতারে শুধু লাউ শাক খেয়ে রোজা ভাঙে সেলিনার পরিবার,শিরোনামে বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদের প্রচারের পর সেলিনা বেগমের পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার(২০ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে সেলিনা বেগমের পরিবারকে আর্থিক সহায়তাসজ উপহার সামগ্রী প্রদান করেন,সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের নেতৃত্বে অসহায় সেলিমা বেগমের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করতে যায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’- এর একটি প্রতিনিধি দল।
এ সময় প্রতিনিধি দলটি সেলিমা বেগমের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ নেন। বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান-এর সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা উপহার দেন এবং সর্বদা পাশে থাকার প্রত্যায় ব্যক্ত করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- “আমরা বিএনপি পরিবার”- এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সংগঠনটির সদস্য শাকিল আহমেদ, রুবেল আমিন সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর পক্ষে বিএনপি নেতা মোঃ শফিকুল ইসলাম বুলবুল উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেন,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডভোকেট জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক এস.এম.জাহিদুল ইসলাম(জাহিদ) এর উদ্যোগে প্রপান ফিলিং স্টেশনের উদ্যোগে নতুন কাপড়,ঈদ সামগ্রী উপহার,
এবং মানবিক অনিক তালুকদার সেই পরিবারকে আর্থিক সহযোগি প্রদান করেন,নলডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আশিকুর রহমান শুকনা খাবার ও ঈদ বাজার প্রদান,Natore Youth Blood Donor Group ( নলডাঙ্গা ইউনিট) সহ অনেকে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েন।
উল্লেখ্য, প্রায় দুই বছর আগে দুর্ঘটনায় সেলিনার স্বামী জহুরুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে পরেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এমন অবস্থায় চরম দুর্দশায় পড়ে যায় তার পরিবার। এরপর থেকেই অর্ধাহার-অনাহারে মানবেতর জীবন পার করছেন সেলিনার প্রতিবন্ধী ২ মেয়েসহ ৬ সদস্যের পরিবার। সেলিনার পরিবারে ২ প্রতিবন্ধী মেয়ে,দুই বছর বয়েসী ১ ছেলে,স্বামী,শ্বাশুরিসহ মোট ৬ জন।
নাটোরের নলডাঙ্গার পিপরুল ইউনিয়নের আঁচড়াখালি গ্রামের একটি জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে গিয়ে দেখা যায় হৃদয়বিদারক এই চিত্র। অভাব-অনটনের কারণে কখনো শুধু পানি খেয়ে,আবার কখনো শাক-পাতা শুধু সাদা ভাত খেয়েই সেহরি ও ইফতার করতে হচ্ছে,সেলিনা বেগম ও তার স্বামী সন্তানদের।
অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতা তাদের জীবনকে করে তুলেছে অসহায়। সেলিনার ৬ জন সদস্যের পরিবারে,ঈদে সন্তানসহ অসু্স্থ স্বামী,শ্বাশুরি কাপড় কেনা তাদের কাছে স্বপ্ন।
সেলিনার পরিবার সকলের জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। উপার্জনের কোন পথ না থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে পরিবারটির।
লাউ পাতা সিন্ধ হলে,তা ইফতারে খাওয়ার জন্য,
মা সেলিনা বেগমের পাশে অসহায় হয়ে বসে আছে,প্রতিবন্ধী দুই মেয়ে।
এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা বলেন,অসুস্থ স্বামী,প্রতিবন্ধী সন্তানদের নিয়ে ঝুপড়ি ঘরে থাকি। বৃষ্টিতে ভিজি, রোদে শুকাই। আগে বাবা আমার খোঁজ নিত, কিন্তু প্রায় এক বছর আগে সেও মারা গেছে। এখন আমাদের দেখার কেউ নাই। সন্তানরা ভালো খাবার চায়, কিন্তু আমার সেই সামর্থ্য নাই। অনেক সময় শুধু পানি,শাকপাতা দিয়েই সেহরি-ইফতার করি।
সরকার ও সমাজের বৃত্তবানদের পাশে চান এই পরিবারটি।
























