ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আত্রাই-রানীনগরে উন্নয়ন ও রাষ্ট্রপতির ভাষন নিয়ে সংসদে এমপি রেজু শেখের আলোচনা পাবনায় কবি মজিদ মাহমুদের জন্মদিন উদযাপন পুঠিয়ায় সাবেক মেয়রের বাড়িতে হামলা নলডাঙ্গায় ভেজালবিরোধী অভিযান – অর্থদণ্ড সহ জব্দকৃত মালামাল ধ্বংস নলডাঙ্গায় আগুনে পুড়লো বসতবাড়ির রান্নাঘর,ছাগল ও ফসল – প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি নলডাঙ্গায় ছড়িয়ে পরেছে সাইলেন্ট কিলার পার্থেনিয়াম নাটোরে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন নলডাঙ্গার বিলপাড়ায় নাহার এর অপকর্ম ও প্রতারণার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫ আসামী গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আত্রাই-রানীনগরে উন্নয়ন ও রাষ্ট্রপতির ভাষন নিয়ে সংসদে এমপি রেজু শেখের আলোচনা পাবনায় কবি মজিদ মাহমুদের জন্মদিন উদযাপন পুঠিয়ায় সাবেক মেয়রের বাড়িতে হামলা নলডাঙ্গায় ভেজালবিরোধী অভিযান – অর্থদণ্ড সহ জব্দকৃত মালামাল ধ্বংস নলডাঙ্গায় আগুনে পুড়লো বসতবাড়ির রান্নাঘর,ছাগল ও ফসল – প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি নলডাঙ্গায় ছড়িয়ে পরেছে সাইলেন্ট কিলার পার্থেনিয়াম নাটোরে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন নলডাঙ্গার বিলপাড়ায় নাহার এর অপকর্ম ও প্রতারণার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫ আসামী গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুন্নাহারের কথা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুন্নাহারের কথা

এক সাগর ও রক্তের বিনিময়ে , বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা , আমরা তোমাদের ভুলেও না । হা একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধার কথা বলছি । নেত্রকোনা জেলার মোহনগন্জ উপজেলায় তার বসবাস। নাম , খন্দকার শামসুন্নাহার । ১৯২২ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তিনি মহিলা বীর মুক্তিযুদ্ধার সম্মাননা পান । উনি মেঘালয়ের তলদেশই ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ১১ নাম্বার সেক্টর। সেই ১১ নাম্বার সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন শামসুন্নাহার। দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার টানে , বাংলাদেশকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করাই ছিল তার চিন্তা, চেতনা ।

১৯৭০ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ভারতের মহেষখলা ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন এই মহীয়সী নারী । অনেক মানুষের খাবার, আশ্রয় , উষধের যোগান ছিল তার কাজ । সেই দিন বীর বাঙ্গালী বুঝতে পারছেন, গেরিলা যুদ্ধ ছাড়া পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করা সম্ভব না । তাই ভাটি অঞ্চলের কৃষক, ছাত্র, জনতা কে সংগ্রহ করে সকলের ট্রেনিং করলেন । এ ভাবেই একটি শক্তিশালী মুক্তিবাহিনী গড়লেন শামসুন্নাহার।

মহিলা মানুষ হয়ে ,একটুকু ও মনোবল হারান নি তিনি । সত্যিকারের দেশ প্রেম নিয়ে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে তিনি শত্রু মুক্ত করলেন । বিজয় ছিনিয়ে আনলেন । বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলো । এই শামসুন্নাহারের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০২২ সালে বীর মহিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্মাননা ও ২০১৬ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী সন্মাননা পেলেন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকেন ।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
13 April 2026

বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫ আসামী গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

www.dailyajkernaldanga.com

একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুন্নাহারের কথা

আপডেট সময় : ০৩:০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুন্নাহারের কথা

এক সাগর ও রক্তের বিনিময়ে , বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা , আমরা তোমাদের ভুলেও না । হা একজন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধার কথা বলছি । নেত্রকোনা জেলার মোহনগন্জ উপজেলায় তার বসবাস। নাম , খন্দকার শামসুন্নাহার । ১৯২২ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তিনি মহিলা বীর মুক্তিযুদ্ধার সম্মাননা পান । উনি মেঘালয়ের তলদেশই ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ১১ নাম্বার সেক্টর। সেই ১১ নাম্বার সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন শামসুন্নাহার। দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার টানে , বাংলাদেশকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করাই ছিল তার চিন্তা, চেতনা ।

১৯৭০ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ভারতের মহেষখলা ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন এই মহীয়সী নারী । অনেক মানুষের খাবার, আশ্রয় , উষধের যোগান ছিল তার কাজ । সেই দিন বীর বাঙ্গালী বুঝতে পারছেন, গেরিলা যুদ্ধ ছাড়া পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করা সম্ভব না । তাই ভাটি অঞ্চলের কৃষক, ছাত্র, জনতা কে সংগ্রহ করে সকলের ট্রেনিং করলেন । এ ভাবেই একটি শক্তিশালী মুক্তিবাহিনী গড়লেন শামসুন্নাহার।

মহিলা মানুষ হয়ে ,একটুকু ও মনোবল হারান নি তিনি । সত্যিকারের দেশ প্রেম নিয়ে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে তিনি শত্রু মুক্ত করলেন । বিজয় ছিনিয়ে আনলেন । বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলো । এই শামসুন্নাহারের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০২২ সালে বীর মহিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্মাননা ও ২০১৬ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী সন্মাননা পেলেন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকেন ।

Share this news as a Photo Card