২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফেইল।
- আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফেইল।
নওগাঁ ১১ উপজেলার ভিতর ৭ টি উপজেলায় ১৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করতে পারেনি কোন শিক্ষার্থী। শিক্ষা অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী মাদ্রাসা,মাধ্যমিক, ভোকেশনাল ,এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
খবর নিয়ে জানা যায়,নওগাঁ বদলগাছি ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেও পাশ করতে পারেনি গোবরচাপা হাট আকতার হামিদ সিদ্দিকী দাখিল মাদ্রাসা, জোলাপাড়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা,খাদাইল দাখিল মাদ্রাসা।
এছাড়াও নওগাঁ পত্নীতলা চকনোদবাটি ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল কিন্তু পাশ করতে পারেনি কোন শিক্ষার্থী।
১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল নওগাঁ সাপাহার ভাবুক নইমুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা থেকেও পাশ করতে পারেনি কোন শিক্ষার্থী।
নওগাঁ মান্দা উপজেলার চকদেবিরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৫ জনের ভিতর কেও পাশ করতে পারেনি।একই উপজেলার কুসুম্বা শাহী মাদ্রাসা থেকে ৯ জন রামনগর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন,চক-রঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন,এবং এলেংগা ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন পরিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করলেও কেও পাশ করতে পারেনি।পোরশা উপজেলার গুন্দইল দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ জন,গংগারিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ জন,অনন্তপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৯ জন,কালিনগর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন কেও পাশ করতে পারেনি।
নওগাঁ নিয়ামতপুর বরিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫ জন,পৈলানপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯ জন,নৈমদিঘী কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৭ জন এদের ভিতর কেও পাশ করতে পারেনি।
আএাই উপজেলা সুদরানা স্কুল এন্ড টেকনিক্যাল কলেজ থেকে অংশ গ্রহণ করেছিল ৪ জন ও আটগ্রাম দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১ জন তাদের ভিতর কেও পাশ করতে পারেনি।
শতভাগ ফেইলের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে বিভিন্ন স্কুল কলেজের প্রধানগন বিভিন্ন কারন দেখিয়ে বলেন,পাঠদানের জন্য উপযুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার সংকট, বিভিন্ন অবকাঠামো তাছাড়াও ছাএ-ছাএীর নিয়োমিত স্কুল-কলেজে অনুপস্থিত ও পড়ালেখার প্রতি অনিহা লক্ষ্যনীয়।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত)শাহাদত হোসেন বলেন শতভাগ ফেইল করা সকল স্কুল,মাদ্রাসা প্রধানদের সাথে দ্রুত আলোচনায় আসা হবে যাতে করে শিক্ষারমান উন্নত করার জন্য আগামীতে সকল প্রোচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।৷
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে শতভাগ ফেইল এর কারন- শিক্ষার্থীদের ক্লাসে নিয়মিত না থাকা।শিক্ষার মানও দুর্বল পড়াশোনায় দুর্বলতা এবং সঠিক দিকনির্দেশনার অভাব।অভিভাবকদের সচেতনতার অভাব, পড়ালেখার প্রতি তদারকি না থাকা।পরীক্ষা কেন্দ্রে কড়াকড়ি,কোনো কোনো কেন্দ্র হঠাৎ সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় ঘাবড়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

























