৭ পেশাদার জুয়াড়ি গ্রেফতার, তাস ও নগদ টাকা উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০৬:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার আশুলিয়ায় অবৈধ জুয়া কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি জুয়াড়ি চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত তাস ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ অভিযানে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১ জুন) রাত আনুমানিক ১১টা ১০ মিনিটে আশুলিয়া থানার বগাবাড়ি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় একটি চক্র গোপনে জুয়ার আসর পরিচালনা করে আসছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে জুয়ার আসরে উপস্থিত সাতজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— রিপন বিশ্বাস (২৯), মানিক হোসেন (৬৫), আলমাস (৪০), জাহিদুল ইসলাম (৩২), আরিফ (৩৩), সোহেল রানা (২৪) এবং ইয়াদ আলী (৬৫)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জুয়া খেলার আয়োজন এবং পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের কার্যক্রমের কারণে স্থানীয় যুবসমাজের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত ৫২টি তাস এবং নগদ ২ হাজার ৫৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অবৈধ জুয়া কার্যক্রম সমাজে নানা ধরনের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি করে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বিনষ্ট করে। এ কারণে জুয়া ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য-প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সফল এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল এবং যুবসমাজকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষার লক্ষ্যে অবৈধ জুয়া, মাদক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।























