ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোরের বিভিন্ন খ্রিস্টান ধর্মপল্লীতে অল সোলস ডে পালিত নেত্রকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে দুই শতাধিক সাংবাদিকের মানববন্ধন নলডাঙ্গায় ৪ গ্রাম হেরোইন সহ গ্রেপ্তার ১ জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬-এ দ্বিতীয় হলেন ,নাটোরের লালপুরের তরুণ উদ্যোক্তা ও সাংবাদিক মোঃ আব্দুল মোত্তালেব রায়হান  নলডাঙ্গায় তিন ফসলি জমিতে অবৈধভাবে মাটি কাটার অপরাধে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা, একটি ব্যাটারি জব্দ নাটোরে ৬ দিনব্যাপী আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন দিনাজপুর বীরগঞ্জে ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী হতে চান শারমিন মাহবুব, মাদকমুক্ত ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয়। নওগাঁর আত্রাই উপজেলার তালঘড়িয়াতে পানি পড়া ও কবিরাজি চিকিৎসা: নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট: একজনের এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড নলডাঙ্গায় সৌদি আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২ প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোরের বিভিন্ন খ্রিস্টান ধর্মপল্লীতে অল সোলস ডে পালিত নেত্রকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে দুই শতাধিক সাংবাদিকের মানববন্ধন নলডাঙ্গায় ৪ গ্রাম হেরোইন সহ গ্রেপ্তার ১ জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬-এ দ্বিতীয় হলেন ,নাটোরের লালপুরের তরুণ উদ্যোক্তা ও সাংবাদিক মোঃ আব্দুল মোত্তালেব রায়হান  নলডাঙ্গায় তিন ফসলি জমিতে অবৈধভাবে মাটি কাটার অপরাধে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা, একটি ব্যাটারি জব্দ নাটোরে ৬ দিনব্যাপী আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন দিনাজপুর বীরগঞ্জে ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী হতে চান শারমিন মাহবুব, মাদকমুক্ত ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয়। নওগাঁর আত্রাই উপজেলার তালঘড়িয়াতে পানি পড়া ও কবিরাজি চিকিৎসা: নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট: একজনের এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড নলডাঙ্গায় সৌদি আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২ প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন

মানবতার সেবায় নিবেদিত এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ দম্পতি সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বকশীগঞ্জে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানবতার সেবায় নিবেদিত এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ দম্পতি
সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বকশীগঞ্জে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

সামরুল হক, স্টাফ রিপোর্টার:
জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ পৌর শহরের আকন্দবাড়ীর গুণীজনদের মধ্যে অন্যতম পরিচিত নাম এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ। পেশাগত জীবনে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঢাকা জজ কোর্টে সুনামের সঙ্গে আইন পেশায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে পেশাগত পরিচয়ের বাইরেও তিনি সমাজে পরিচিত একজন মানবিক, ধর্মপ্রাণ ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত ব্যক্তি হিসেবে। তার সহধর্মিণী এডভোকেট ওয়াহিদা বেগম বেলীও একজন আইনজীবী। স্বামী-স্ত্রী দু’জনই মানবসেবাকে জীবনের অন্যতম আদর্শ হিসেবে ধারণ করে সমাজের কল্যাণে নীরবে কাজ করে চলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ ও এডভোকেট ওয়াহিদা বেগম বেলী দীর্ঘদিন ধরে মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অসহায় পরিবারের পাশে নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আসছেন। ধর্মীয় ও সামাজিক যেকোনো কল্যাণমূলক কাজে তাদের আন্তরিকতা, উদারতা এবং অংশগ্রহণ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত। বিশেষ করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, দরিদ্র মানুষের সহায়তা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাদের ভূমিকা সাধারণ মানুষের কাছে ইতোমধ্যেই আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, বকশীগঞ্জ নূর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শোভা বর্ধনের জন্য বৃক্ষরোপণ, পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন, এবং বিভিন্ন মসজিদের সংস্কার ও নির্মাণকাজে মোটা অঙ্কের অনুদান প্রদানসহ অসংখ্য জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তারা সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন। শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে তাদের আন্তরিক তদারকি ও পৃষ্ঠপোষকতাও স্থানীয়দের নজর কাড়ে।

এছাড়াও বকশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজারে একটি পাবলিক কবরস্থান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে এলাকাবাসী ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এমন একটি প্রয়োজনীয় ও মানবিক উদ্যোগে তাদের সম্পৃক্ততা আবারও প্রমাণ করে, সমাজের নীরব কিন্তু জরুরি কাজগুলোতেও তারা কতটা আন্তরিক।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বর্তমান সময়ে যখন অনেকেই ব্যক্তিস্বার্থে ব্যস্ত, তখন এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ ও তার সহধর্মিণী এডভোকেট ওয়াহিদা বেগম বেলী সমাজের কল্যাণে যে ভূমিকা পালন করছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। মানবিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় অনুরাগ এবং সমাজসেবার সুন্দর সমন্বয় তাদের ব্যক্তিত্বকে আরও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

তাদের অনুপস্থিতিতেও সামাজিক ও মানবিক কাজগুলো থেমে নেই। এসব কাজ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এডভোকেট সোহেল রানার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই মাইনুল হোসেন লাভলু আকন্দ এবং তার ভাতিজা সোহাগ আকন্দ। স্থানীয় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণও প্রশংসিত হচ্ছে। পারিবারিকভাবে সমাজকল্যাণের এই ধারা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাদের অবদানও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ ও এডভোকেট ওয়াহিদা বেগম বেলীর মতো মানবিক ও সমাজবান্ধব মানুষ প্রতিটি পরিবারে জন্ম নিক। সমাজের উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাদের এ অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
সবার প্রত্যাশা, মহান আল্লাহ তাআলা এই দম্পতিকে আরও বেশি করে সমাজের কল্যাণে কাজ করার তাওফিক দান করুন এবং তাদের পরিবারকে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে দিন। একই সঙ্গে তাদের সহযাত্রী হিসেবে যারা এ মহৎ কাজগুলো এগিয়ে নিচ্ছেন, তাদের প্রতিও রইল আন্তরিক শুভকামনা ও দোয়া।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
31 October 2026

নলডাঙ্গায় সৌদি আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২ প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন

www.dailyajkernaldanga.com

মানবতার সেবায় নিবেদিত এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ দম্পতি সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বকশীগঞ্জে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

আপডেট সময় : ০৮:১৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

মানবতার সেবায় নিবেদিত এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ দম্পতি
সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বকশীগঞ্জে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

সামরুল হক, স্টাফ রিপোর্টার:
জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ পৌর শহরের আকন্দবাড়ীর গুণীজনদের মধ্যে অন্যতম পরিচিত নাম এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ। পেশাগত জীবনে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঢাকা জজ কোর্টে সুনামের সঙ্গে আইন পেশায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে পেশাগত পরিচয়ের বাইরেও তিনি সমাজে পরিচিত একজন মানবিক, ধর্মপ্রাণ ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত ব্যক্তি হিসেবে। তার সহধর্মিণী এডভোকেট ওয়াহিদা বেগম বেলীও একজন আইনজীবী। স্বামী-স্ত্রী দু’জনই মানবসেবাকে জীবনের অন্যতম আদর্শ হিসেবে ধারণ করে সমাজের কল্যাণে নীরবে কাজ করে চলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ ও এডভোকেট ওয়াহিদা বেগম বেলী দীর্ঘদিন ধরে মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অসহায় পরিবারের পাশে নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আসছেন। ধর্মীয় ও সামাজিক যেকোনো কল্যাণমূলক কাজে তাদের আন্তরিকতা, উদারতা এবং অংশগ্রহণ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত। বিশেষ করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, দরিদ্র মানুষের সহায়তা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাদের ভূমিকা সাধারণ মানুষের কাছে ইতোমধ্যেই আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, বকশীগঞ্জ নূর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শোভা বর্ধনের জন্য বৃক্ষরোপণ, পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন, এবং বিভিন্ন মসজিদের সংস্কার ও নির্মাণকাজে মোটা অঙ্কের অনুদান প্রদানসহ অসংখ্য জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তারা সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন। শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে তাদের আন্তরিক তদারকি ও পৃষ্ঠপোষকতাও স্থানীয়দের নজর কাড়ে।

এছাড়াও বকশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজারে একটি পাবলিক কবরস্থান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে এলাকাবাসী ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এমন একটি প্রয়োজনীয় ও মানবিক উদ্যোগে তাদের সম্পৃক্ততা আবারও প্রমাণ করে, সমাজের নীরব কিন্তু জরুরি কাজগুলোতেও তারা কতটা আন্তরিক।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বর্তমান সময়ে যখন অনেকেই ব্যক্তিস্বার্থে ব্যস্ত, তখন এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ ও তার সহধর্মিণী এডভোকেট ওয়াহিদা বেগম বেলী সমাজের কল্যাণে যে ভূমিকা পালন করছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। মানবিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় অনুরাগ এবং সমাজসেবার সুন্দর সমন্বয় তাদের ব্যক্তিত্বকে আরও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

তাদের অনুপস্থিতিতেও সামাজিক ও মানবিক কাজগুলো থেমে নেই। এসব কাজ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এডভোকেট সোহেল রানার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই মাইনুল হোসেন লাভলু আকন্দ এবং তার ভাতিজা সোহাগ আকন্দ। স্থানীয় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণও প্রশংসিত হচ্ছে। পারিবারিকভাবে সমাজকল্যাণের এই ধারা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাদের অবদানও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ ও এডভোকেট ওয়াহিদা বেগম বেলীর মতো মানবিক ও সমাজবান্ধব মানুষ প্রতিটি পরিবারে জন্ম নিক। সমাজের উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাদের এ অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
সবার প্রত্যাশা, মহান আল্লাহ তাআলা এই দম্পতিকে আরও বেশি করে সমাজের কল্যাণে কাজ করার তাওফিক দান করুন এবং তাদের পরিবারকে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে দিন। একই সঙ্গে তাদের সহযাত্রী হিসেবে যারা এ মহৎ কাজগুলো এগিয়ে নিচ্ছেন, তাদের প্রতিও রইল আন্তরিক শুভকামনা ও দোয়া।

Share this news as a Photo Card